

ছাতকের সংবাদ ডেক্স :
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
“অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে।”এই স্লোগানকে সামনে রেখে..
বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) সকাল ১২ ঘটিকায় ছাতক উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ‘গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি মানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন, ছাতক। কর্মশালাটি বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ-৩য় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মহিউদ্দিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “গ্রাম আদালত হলো সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর ব্যবস্থা। অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে এবং সহজ প্রক্রিয়ায় বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ থাকায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও জনপ্রিয় ও কার্যকর করতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, গ্রাম আদালতকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে ছোটখাটো বিরোধ স্থানীয় পর্যায়েই নিষ্পত্তি হবে, ফলে আদালতের মামলার চাপও কমবে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন পরামর্শ ও মতামত তুলে ধরেন। বিশেষ করে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধি, গণমাধ্যমের সম্পৃক্ততা, সামাজিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ এবং জনগণের মাঝে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুস সালাম, পিও (ওয়াশ), ব্র্যাক; মো. ইকবাল হুসেন, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, আশা ব্যাংক; মো. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার – সভাপতি, ছাতক প্রেসক্লাব; সাকির আমিন, সদস্য, ছাতক উপজেলা প্রেসক্লাব; অজিত কুমার দাশ সিনিয়র সভাপতি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ছাতক উপজেলা শাখা ও সদস্য ছাতক উপজেলা প্রেসক্লাব, স্বপন কুমার সরকার, ইনচার্জ, সূর্যের হাসি ক্লিনিক; লিপি আচার্য, মহিলা বিষয়ক প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, উপজেলা সমন্বয়কারী, গ্রাম আদালত, স্থানীয় সরকার বিভাগ।
কর্মশালার শেষে অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
Leave a Reply