1. admin@dhanikchhatakersangbad.com : Admin_adajit :
অভুক্ত পরিবারের পাশে ছাতকের ইউএনও - দৈনিক ছাতকের সংবাদ
শিরোনাম :
সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আব্দুল কাদিরকে ইসলামী আন্দোলনের পূর্ণ সমর্থন। ছাতক উপজেলা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে কেন্দ্রিয় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতার মতবিনিময় ছাতক-দোয়ারার উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে বড় পরিবর্তনের আশ্বাস মিলনের ছাতকে দেওয়াল ঘড়ি সমর্থনে গণমিছিল ও নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ছাতকে সোনালী বাংলা বাজারে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের গণসংযোগ । অবৈধ মাটি উত্তোলনের দায়ে ছাতকে উপজেলা কৃষক দলের আহবায়কের ৬ মাসের জেল ছাতকে গণভোটে হ্যাঁ প্রচারে জামায়াতের মাল্টিমিডিয়া প্রচার বাস লন্ডনে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করতে সবার কাছে দোয়া ও সহযোগীতা চেয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর শাহ আলম বিএনপি’র ধানের শীষের প্রার্থী মিলনের কন্যার আবেগঘন ভোটের আহ্বান ছাতক–দোয়ারাবাজারে জামায়াত প্রার্থী আব্দুস সালাম আল-মাদানীর বিশাল নির্বাচনী সমাবেশ।

অভুক্ত পরিবারের পাশে ছাতকের ইউএনও

  • Update Time : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৮০ বার দেখা
Oplus_0
১৩

ছাতকের সংবাদ ডেক্স :
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জাউয়া বাজার ইউনিয়নের বড়কাপন মাঝপাড়া গ্রামের আফিয়া বেগমের সংসার চলছে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে। জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে প্রতিদিন লড়াই করছেন তিনি। এই মানবেতর জীবনযাপনে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম।

গত ১৭ আগস্ট রাতে খাদ্য সংকটে থাকা আফিয়া বেগমের পরিবারের খবর পেয়ে তিনি নিজেই ওই গ্রামে ছুটে যান। সেখানে উপস্থিত হয়ে তিনি অসহায় পরিবারের হাতে পাঁচ বস্তা খাদ্য সামগ্রী, দুই বান টিন ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, আফিয়া বেগমের স্বামী দিনমজুর লোকমান আলী সংসারের উন্নতির আশায় মালয়েশিয়া যান। কিন্তু দীর্ঘ অসুস্থতার পর ২০২৪ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেন। স্বামীর চিকিৎসার জন্য প্রায় এক লাখ বিশ হাজার টাকা ঋণগ্রস্ত হন আফিয়া। এরপর থেকে সন্তানদের লালন-পালন ও অসুস্থ শাশুড়ির দেখাশোনা করতে গিয়ে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েন।

অভাবের তাড়নায় দুই মেয়েকে গৃহকর্মী হিসেবে ঢাকায় পাঠাতে বাধ্য হয়েছেন আফিয়া বেগম। পরিবারের বাকিদের খাবারের যোগান দিতে না পেরে অনেক দিনই আধপেটে বা না খেয়েই দিন কাটে তাদের। জরাজীর্ণ ঘরে বৃষ্টির সময় পানি চুঁইয়ে পড়ে, কাপড়-চোপড় ভিজে যায়। দরজার স্থলে ঝোলানো কাপড় দিয়ে কোনো রকমে রাত কাটান তারা।

সহায়তা পাওয়ার পর কান্নাজড়িত কণ্ঠে আফিয়া বেগম বলেন,
“আমরা একবেলা খাই, তিনবেলা খেতে পারি না। বাচ্চারা ক্ষুধায় কান্না করলে কিছুই করার থাকে না। মাথা ঘোরে, কখন পড়ে যাই বুঝতেও পারি না। ঘরে দরজা নেই, কাপড় বেঁধে রাখি। আজ ইউএনও স্যার সাহায্য করেছেন, মনে হচ্ছে আবার বেঁচে উঠলাম।”

স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুল হক ইউএনওর উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন,
“তিনি শুধু প্রশাসক নন, আমাদের সমাজে মানবিকতার প্রতীক। তাঁর এই কার্যক্রম আমাদের সবার জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।”

এ বিষয়ে ইউএনও মো. তরিকুল ইসলাম জানান,
“এটা শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, একজন মানুষের প্রতি মানবিক কর্তব্যও। একজনের কষ্টে পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রশাসকের প্রকৃত দায়িত্ব। সমাজের প্রত্যেককেই এভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে।”

স্থানীয়রা আশা করছেন, সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানরাও যদি এমন অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান, তবে তাদের জীবন থেকে কিছুটা হলেও দুর্দশা কমে আসবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বিজ্ঞাপন

Affordable Web Design

Affordable Web Design

আজকের তারিখ

  • বুধবার (সকাল ৮:১৮)
  • ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ২৩শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
  • ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (শীতকাল)
© All rights reserved © 2025
Customized By SarBD