
জাউয়া বাজারে উলামা ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন
ভারতীয় মুসলিমদের নিরাপত্তা, সীমান্ত হত্যা বন্ধ ও বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ
ভারতের বিভিন্ন স্থানে মুসলিমদের ওপর নির্যাতন, মসজিদ-মাদ্রাসায় হামলা, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যাকাণ্ড এবং বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জাউয়া বাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ছাতক উপজেলা উলামা ঐক্য পরিষদ।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুর ১২টায় জাউয়া বাজারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা মুফতি আব্দুস সোবহান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা হাফিজ সাইদ আহমেদ এবং পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা কাওছার আহমদ।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাওলানা ফজলুর রহমান, মাওলানা আখতার হোসাইন, মাওলানা আব্দুল কাদির, মাওলানা জামিলুর রহমান, মাওলানা আলী আহমদ ও মাওলানা আরিফুল হক ইদ্রিস।
বক্তারা বলেন, ভারতে মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা অবিলম্বে বন্ধ এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র, উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে। তারা শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আনোয়ার হোসেন, মাওলানা মোস্তাফা কামাল চৌধুরী, মাওলানা এখলাছুর রহমান, মাওলানা আবুল খায়ের, মাওলানা কামাল উদ্দিন, মাওলানা বোরহান উদ্দিন, মাওলানা নুরুল ইসলাম, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা সুহাইল আহমদ, মাওলানা রিয়াজ উদ্দিন, মাওলানা ফজল উদ্দিন, মাওলানা আব্দুল করিম, মাওলানা সালেহ উদ্দিন, মাস্টার আব্দুল জলিল, মাওলানা মোফাজ্জল আলী, মাওলানা গৌছ উদ্দিন, মাওলানা মুফতি আসহাদ আহমদ, মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, মাওলানা রশিদ আহমদ, হাফিজ ফরিদ আহমদ, মাওলানা আবুল হাসনাত, মাওলানা মনজুর রহমান, মাওলানা ছহুল আহমদ, হাফিজ শাহিন আহমদ, মাওলানা জাহির আলী ও মাওলানা মুহাম্মদ সানোয়ারসহ উলামা ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
মানববন্ধনে বিপুলসংখ্যক আলেম-উলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। কর্মসূচি শেষে বক্তারা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।