
স্টাফ রিপোর্ট :
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সংক্ষিপ্ত সফরে এসেছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র কেন্দ্রীয় নেতারা। পদযাত্রার অংশ হিসেবে নেতাদের আগমনে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা আগে থেকেই স্লোগানে স্লোগানে শুভেচ্ছা জানাতে প্রস্তুত ছিলেন।
৬ জুলাই (রবিবার) বিকেল ৪টায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পদযাত্রার ৬ষ্ঠ দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী যাওয়ার পথে গোদাগাড়ীর ডাইংপাড়া মোড়ে স্থানীয় জনতার সমাবেশ ঘটে। এসময় এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম মাইক্রোফোন হাতে তুলে নেন এবং দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ জানান।
নাহিদ ইসলাম তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে গোদাগাড়ীর মানুষের বীরত্বগাথা প্রতিরোধের ইতিহাস স্মরণ করে বলেন,
“আপনাদের ভালোবাসা আমাদের প্রেরণা। ৩৩ জনের বেশি মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়েও পিছু হটেননি। আপনাদের এই সাহসিকতা বাংলাদেশকে অনুপ্রাণিত করেছে, করেছে স্বাধীন। আজকের এই পদযাত্রা সেই আন্দোলনেরই ধারাবাহিকতা।”
তিনি আরও বলেন,
“জুলাই ঘোষণা-পত্র, জুলাই সনদ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমরা রাজপথে নেমেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এনসিপি মাঠে থাকবে।”
এরপর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ স্থানীয় জনগণের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল করে তুলেন গোটা এলাকা।
এই সফরে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব আকতার হোসেন, রাজশাহী জেলা কমিটির সদস্য সচিব রহমাতুল্লাহসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
নেতারা একবাক্যে বলেন—“গোদাগাড়ী শুধু ইতিহাসের অংশ নয়, এটি একটি জীবন্ত প্রতীক—প্রতিরোধ, সাহস ও গণতন্ত্রের লড়াইয়ের।”